ভাতভর্তি থালাবাটি চাই
—এম রহমান তারেক
নগেন—
আজ্ঞে জাহাঁপনা,
হঠাৎ এতো এতো কবির বিচরণ
বাড়লো কী করে?
আজ্ঞে জাহাঁপনা,
দেখতো ওরা কারা
কীসব লেখালেখি, আবৃত্তি
সম্মিলিত কবিতার বই
হোয়াট ইজ দিজ ননসেন্স অল এবাউট?
আজ্ঞে জাহাঁপনা,
ওরা ওই থালাবাটির বিরুদ্ধে
কী এক আন্দোলন—
বাচ্চাদের হাতে হাতে নাকী
বই উঠবে, থালাবাটির বদলে
ব্যাপারটা আমার মনে ধরেছে জাহাঁপনা
ওরা আমাকেও
একখানি কবিতা লিখতে বলেছে।
শ্যাট আপ নগেন
এইসব কাব্য কবিতা
বাঙালির জন্য নয়
বাঙালির জন্ম হয়েছে
৩ বেলা বসে বসে ভাত খাওয়ার জন্য
বাঙালি—কাব্য রচনা করবে !
অচিন্ত্য ভট্টাচার্য হবে !
রবীন্দ্রনাথ হবে !
নজরুল হবে !
ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর হবে !
বাঙালি, বসে বসে ভাত খাবে কি
কবিতা লিখতে এসেছে
থালাবাটির বদলে কবিতা
সম্মিলিত কবিতা !
যত্তোসব !
নগেন, তুই আজ হেড মাস্টারকে ডাক
আমি বলে দিচ্ছি,
পুরষ্কার হিসেবে শুধু থালাবাটি নয় —
আগামীবার থেকে থালাবাটির সঙ্গে
আমি ৩ কেজি করে
চাওল যুক্ত করে দেবো
প্রয়োজনে ৫ কেজি করে দেবো
ভাতভর্তি থালাবাটি দেবো !
বেয়াদবি মাফ করবেন জাহাঁপনা
আজ পত্রিকায় দেখলাম
সরকার থালাবাটির বদলে
বই পুরষ্কার দিতে নির্দেশ দিয়েছে
এই যে আপনার চাবির গোছা
আপনি আপনার রাজ্য নিয়ে থাকুন
ভাতভর্তি থালাবাটি নিয়ে থাকুন
সম্মিলিত কবিদের ডাক আমি পেয়েছি
আমারও যে নিজস্ব ভাবনা আছে
সৃষ্টিশীলতা আছে
আমি আলোর কিরণ দেখেছি
সম্মিলনের স্নিগ্ধতায়
আমি এই অন্ধকার রাজ্য থেকে
এখনই মুক্তি চাই
আমি যাই জাহাঁপনা
আমি যাই
ওই যে ওরা আমায় ডাকছে।











থালা বাটি ঠন ঠন
বই পড়িলে ভরে মন।






































